৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৭
শিরোনাম:

চোরাই গাড়ী চোর চক্রের মূল হোতাসহ ১০ জন গ্রেপ্তার, দুটি চোরাই গাড়ী উদ্ধার

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাসুম মোল্লা (৪৫), সুমন মিয়া (৩৫), রুবেল মিয়া (৩৮), মো. শহিদুল ইসলাম চোকদার, সাকিব হোসেন, কামরুল ইসলাম, রতন, ঝর্না বেগম, শাহিন ও নাজমুল হোসেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিআইডির ঢাকা মেট্রোর পূর্ব বিভাগ তাদের গ্রেপ্তার করে।

সিআইডির ঢাকা মেট্রো অঞ্চলের পূর্ব বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার কানিজ ফাতেমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে পিকআপ চুরি করছিলো। প্রথমে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে চুরি করার জন্য গাড়ী টার্গেট করে। পরে সুবিধাজনক সময়ে টার্গেটকৃত গাড়ীটি চুরি করে এবং তাদের কাছে রাখে। কখনো কখনো তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে টার্গেট গাড়ীর বিষয়ে খোঁজ নিতো। গাড়ী চুরির পর তারা গাড়ীতে থাকা মালিকের মোবাইল নম্বর বা চুরিকৃত এলাকায় কোনো মোবাইলের দোকানে ফোন করে গাড়ীর মালিকের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে গাড়ী হারানোর বিষয়ে জানতে চাইতো এবং থানায় কোনো রিপোর্ট করা হয়েছে কিনা। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গাড়ীর মালিকের কাছে টাকা দাবী করতো। দাবিকৃত টাকা নির্দিষ্ট বিকাশ নম্বরে দিলে তারা সুবিধাজনক স্থানে গাড়ীটি ফেরৎ দিতো।

চক্রের সদস্যদের মধ্যে কেউ গাড়ীর তথ্য সংগ্রহ, কেউ গাড়ী চুরি করতো, কেউ নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ী রেখে পাহারা দিতো এবং কেউ বিকাশের টাকা নিয়ম বর্হিভর্‚তভাবে লেনদেন করত। চক্রের সদস্যরা নিজেদের ও আত্মীয়স্বজনসহ পরিচিতদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করতো। সেই পরিচয়পত্রের বিপরীতে একাধিক সিম নিয়ে চুরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতো। প্রতিটি চুরির জন্য নতুন মোবাইল ও সিমকার্ড ব্যবহার করতো। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে সিআইডির কাছে এই সংক্রান্ত দুটি মামলা তদন্তাধীন আছে।

Loading