৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:০৯
শিরোনাম:

ঈদে চিড়িয়াখানা বন্ধ, খোলার সিদ্ধান্ত জানাবে মন্ত্রণালয়

ঢাকা চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মোহম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, করোনায় কয়েকমাস যাবত চিড়িয়া খানা বন্ধ। প্রাণীরা খোলা পরিবেশে ছিল। তাদের খাবারদাবার ঠিকমতো দেয়া হয়েছে। ফলে অনেক প্রাণীই বাচ্চা দিয়েছে। ইতমধ্যেই বিভিন্ন প্রাণীর প্রায় ৫০ টি নতুন মুখ যুক্ত হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কলকাতার চিড়িয়াখানায় এক দশকে বাঘের কোন বাচ্চা হয়নি। কিন্তু ঢাকায় করোনার সময় বাঘ প্রজনন করেছে। আগামী বছর বোঝা যাবে বাচ্চার বিষয়টি। প্রজননের পর ২৮০ দিন লাগে বাঘের বাচ্চা হতে। বর্তমানে ৯টি বাঘ রয়েছে চিড়িয়া খানায়। ৪টি আনা হয়েছে সাউথ আফ্রিকা থেকে। ৫টি সুন্দরবনের। যার ২টি পুরুষ বাঘ।

ময়ুরের প্রজননকাল চলছে। ডিম পেড়েছে ৩০টা। আরবি ঘোরা, জেব্রা, গন্ডার, জিরাফ বাচ্চা দিয়েছে। অন্যান্য পাখিরাও ডিম পেড়েছে জানিয়েছেন কিউরেটর।

চিড়িয়াখানায় বাঘের প্রজনন হলেও সুন্দর বনে বাঘ কমছে। গত কয়েক বছর আগে ৪৪০টি বাঘ থাকলেও এখন আছে মাত্র ১২৯টি। এই বাঘের বেশির ভাগই মাদি । এটাকে বড় সমস্যা বলে বনে করছে বন অধিদপ্তর। কারণ ৩টি বাঘিনির প্রজননের জন্য অন্তত ১টি বাঘের দরকার। সেখানে সুন্দরবনে ১৯টি বাঘিনির জন্য বাঘ রয়েছে ১টি। বন বিভাগ ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে। যাতে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি করা যায়।

বিশ্বে মোট বাঘ রয়েছে ৩৮৯০টি। এরমধ্যে ২২২৬টি রয়েছে ভারতে। সবচেয়ে কম ২টি রয়েছে লাওসে। নেপালে রয়েছে ১২১টি বাঘ।

Loading