৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:২৬
শিরোনাম:

রিয়া চেন দিয়ে বেঁধেও রাখত সুশান্তকে, অভিযোগ বাবার

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে পুরো নিস্তব্দ ছিলেন তার পরিবার, এমনকি তার বাবা কেকে সিংহও। তবে এবার ঠিক সুশান্তের প্রেমিকার বিরুদ্ধেই যেন ছেলের মৃত্যুর দায় । অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পাটনা থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন সুশান্তের বাবা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সুশান্তের বাবা এফআইআরে মারাত্মক অভিযোগ তুলে ধরেছেন রিয়ার বিরুদ্ধে। রিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির জামিন অযোগ্য (৩০৬, ৩৪১, ৩৪২, ৩৮০, ৪০৬, ৪২০) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, রিয়ার প্রথম থেকেই নজর ছিল তার ছেলের অর্থ এবং সম্পত্তির দিকে। সুশান্তের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে শপিং আর বিদেশ ভ্রমণই নয়, জোর করে খুলিয়েছিলেন তিনটি কোম্পানি। আর সেই তিনটি কোম্পানির অংশীদার রিয়া এবং তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তী।

মার্চ মাসে হঠাৎ করেই সুশান্তের এক বিশ্বস্ত দেহরক্ষীকে সরিয়ে দেন রিয়া। সমস্যা করেন সুশান্তের কর্মচারীদের সঙ্গেও। সুশান্ত মানসিক সমস্যায় ভুগলে কিছুতেই তাকে চিকিৎসকের কাছে বা বাড়ির লোকের কাছে জানাতে দিতে চাননি রিয়া। সুশান্ত কার সঙ্গে মিশবেন বা কথা বলবেন তা ঠিক করত রিয়ার পরিবার। সুশান্তের ফ্ল্যাটের যাবতীয় দায়িত্ব জোর করে নিজের ঘাড়ে তুলে নিয়েছিল রিয়া। এমনকি বাড়ি থেকে বেশ কিছু জিনিস সরিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ সুশান্তের বাবার। পরিবারের সঙ্গে সুশান্তের ভালো যোগাযোগ থাকুক এমনটা চাইত না রিয়া। সুশান্তকে চেন দিয়ে বেঁধে রাখতেন তিনি এমনও অভিযোগ করেছে সুশান্ত ঘনিষ্ঠরা।

এছাড়াও একবার খুব কড়া ডোজের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বাইরে সুশান্তের বন্ধুদের বলেছিল ‘ওর ডেঙ্গু হয়েছে’। সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল রিয়া। ভীষণভাবে সুশান্তের কাছে ভালো সাজার চেষ্টা করত। কিন্তু তাদের সঙ্গে রিয়ার কোনও যোগাযোগই ছিল না। এমনকী সুশান্তের মৃত্যুর পর অঙ্কিতা লোখন্ডে, কৃতি শ্যানন ফোন করে সুশান্তের বাবার সঙ্গে কথা বললেও রিয়া কোনওদিন একটাও ফোন করেননি। বাবার আক্ষেপ, অঙ্কিতার মতো মেয়ে সুশান্তের জীবনে থাকলে এরকম দুর্ঘটনা ঘটত না।

সুশান্তের কার্ড থেকে একবছরে ১৭ কোটি টাকা খরচ করেছে রিয়া। ইউরোপ ভ্রমণ করেছে সুশান্তের পয়সাতেই।

বিহার পুলিশের তদন্তকারীদের একটি দল গত দুদিন ধরে মুম্বাইতেই রয়েছেন। মুম্বাই পুলিশকে না জানিয়েই বেশ কিছু জনের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা। আইনি নোটিশ গেছে রিয়ার বাড়িতেও। তদন্তে সাহায্য না করলে তাকে গ্রেফতার করে পাটনা নিয়ে আসা হবে এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাদের মুম্বাই পুলিশের সঙ্গে একটি বৈঠকেরও কথা রয়েছে।

Loading