৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০৭
শিরোনাম:

মাজেদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্যকে মিথ্যা করা যাবে না: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে অপপ্রচার সম্পূর্ণই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার। বিশ্ব যখন করোনা আতংকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যমতই যখন সর্বস্তরের জনগণের দাবি তখন সরকারের প্রধান ব্যক্তির মুখে ইতিহাস বিকৃত করার এই ঘৃণ্য অপচেষ্টা গোটা জাতিকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাজেদের কথিত জবানবন্দিতে বয়ান করা হয়েছে ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড জড়িতদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও ১৯৭৫ এর ঘটনার নায়কদের ইনডেমনিটির রেফারেন্স দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মদদদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, অথচ জাতি জানে, প্রকৃতপক্ষে সরকার প্রধান নিজেও জানেন, ওই সময়ের ঘটনার নায়কদের ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক কর্তৃক, জিয়াউর রহমান নহে। এই অধ্যাদেশটি ১৯৭৫ সালের অধ্যাদেশ ৫০ নামে অভিহিত। ‘দ্য বাংলাদেশ গেজেটে’ প্রকাশিত অধ্যাদেশটিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এইচ রহমানের স্বাক্ষর রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের জন্য বারবার উদ্যোগ নিয়েছেন। মরহুম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। কিন্তু চলমান অপতৎপরতায় প্রমাণিত হয় ক্ষমতাসীন মহল জাতিকে বিভক্ত করে সংকীর্ণ স্বার্থ অন্বেষণেই ব্যস্ত।

চলমান করোনা বিপর্যয়, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জাতির এহেন মহাসংকটকালে বিভাজন নয়, দরকার ঐক্যবদ্ধ সম্মিলিত প্রয়াস। আমরা পুনরায় ক্ষমতাসীন দলকে ইতিহাস বিকৃত করার এই ঘৃণ্য তৎপরতা পরিহার করে দেশ ও জাতির স্বার্থে জাতীয় ঐক্যের পথে আসার আহ্বান জানাই।

মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন মির্জা ফখরুল।

Loading