মঙ্গলবার গুল চেহের নামে এক নারী ফৌজদারী এজাহার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি করেন। আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দীন ফৌজদারী এজাহারটি আমলে নিয়ে তা তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মামলায় হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমানকে প্রধান আসামি ও ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ২নং আসামি করা হয়েছে। মোট ২৮ জন আসামির মধ্যে ২৭ জনই পুলিশের সদস্য। অন্যজন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নূরুল আমিন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ জুলাই টেকনাফ হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমানের একদল পুলিশ হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার মৃত সুলতান আহামদ প্রকাম বাদশার পুত্র সাদ্দাম হোসেন ও তার ভাই জাহেদ হোসেনকে বাড়ির অদূরে রাস্তা আটক করে নিয়ে ফাঁড়িতে যায়। তাদের ছাড়িয়ে আনতে ফাঁড়িতে যান মা গুলচেহের।
কিন্তু তাদের ছেড়ে দিতে সম্মত হলেও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান। না দিলে দুই ছেলের মৃতদেহ দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকায় উভয়ের মধ্যে রফা হয়। পাঁচ টাকার মধ্যে একই দিন তিন লাখ সরাসরি হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমানের হাতে দেন বাদি গুলে চেহের। বাকি দুই লাখ পরদিন মশিউর রহমানের কথা মতো তার পাঠানো বাহক ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নুরুল আমিনকে দেন।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান পাঁচ লাখ টাকা গ্রহণ করার পর ৬ জুলাই দুই ভাইয়ের মধ্যে জাহেদ হোসেনকে একটি মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয় । কিন্তু ৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে থেকে ৩০০ গজ দূরে এনে সাদ্দাম হোসেন ও অন্য একজনকে গুলি করে পুলিশ। এতে গুরুতর আহত সাদ্দাম হোসেন। পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সম্পাদনা : জেরিন আহমেদ
![]()