আগের ভাড়ায় ফিরতে চান বাস মালিকরা। এরইমধ্যে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার শুরু করেছেন তারা। যাত্রীরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধির ধোঁয়া তুলে এতদিন ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য করেছে পরিবহন কর্তৃপক্ষ। নৈরাজ্য বন্ধে পূর্বের ভাড়ায় ফেরার পক্ষে সায় রয়েছে বিশেষজ্ঞদেরও। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, গণপরিবহন চলাচলে শিগগিরই আসছে নতুন নির্দেশনা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বাস থামলেই হুমড়ি খেয়ে পড়েন যাত্রীরা। বাড়তি ভাড়ার ফাঁদে ফেলে শুরুর দিকে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কিছুটা সচেতন ছিল বাস কর্তৃপক্ষ। এখন এর ছিটে ফোঁটাও নেই।
সব অফিস খুলে যাওয়ায় যাত্রীরাও নিরুপায়। ফলে আগের মতোই অতিরিক্ত যাত্রী ও বাড়তি ভাড়া নিয়েই চলছে গণপরিবহন।
যাত্রীদের একজন বলেন, ‘কোনো নিয়ম মানার তোয়াক্কা নেই। এমনিতেই এখন টাকা রোজগারে ভাটা তার ওপর বাড়তি ভাড়া। মার্কেটে গাদাগাদি আর বাসে বেশি ভাড়া।’
টেলিভিশনের ক্যামেরা দেখলেই তোড়জোড় দেখা যায় ট্রাফিক পুলিশের।
ভাড়া নৈরাজ্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়ে একমত বাস মালিকরাও। তাই তারাও চান, আগের নিয়মে ফিরতে। আর পূর্বের ভাড়ায় ফেরার পক্ষে মত বিশেষজ্ঞের।
সড়ক পরিবহন মালিক সমতি মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘সব পরিবহন ব্যবস্থায় যত সিট তত যাত্রী। শুধু বাসের ক্ষেত্রে বিষটি হচ্ছে না। এই বিষয়টির সম্মতি দিলে আমরা পূর্বের ভাড়ায় ফিরে যেতে আগ্রহী।’
এ অবস্থায় বিআরটিএ বলছে, শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেয়া হবে।
‘যত সিট তত যাত্রী’ নেয়ার আবেদন জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি। ৩১ আগস্ট শেষ হচ্ছে স্বল্প পরিসরে গণপরিবহন চলাচলের সরকারি নির্দেশনা।
![]()