ড. এ কে আবদুল মোমেন আরও বলেন, দেশের মানুষের জন্য সারা জীবন অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসতেন তিনি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু তার হঠাৎ বিদায়ের কারণে রুখে যায় বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো বলেন, বঙ্গবন্ধুর মূল্যবোধ অনুসারে সবার জন্য স্বাধীনতা, কাউকে পেছনে ফেলে না যাওয়া এবং সমতার দিকগুলো টেকসই উন্নয়নের ভিত্তির সঙ্গে খাপ খেয়ে যায়। যেগুলো জাতিসংঘের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত। বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বস্ত সহযোগী হিসাবে রয়েছে জাতিসংঘ এবং সংস্থাটি সর্বদা এভাবে পাশে থাকবে।
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহল্টজ বলেন, বঙ্গবন্ধুর মূল্যবোধকে সম্মান জানিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠন ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সবার সহায়তা করা উচিত।
শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার ডিপিএসএন দায়াসেকারা বলেন, সবার সমঅধিকার নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধুর মূল্যবোধকে অনুসরণ করা উচিত।
গত শনিবার রাতে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদের সঞ্চালনায় আলোচনায় আরও অংশ নেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, সুইস রাষ্ট্রদূত নাতালি শিয়ার, মোহাম্মদ জমির, শাম্মী আহমেদ ও শেখ ফজলে শামস পরশ।
![]()