২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১:১৫
শিরোনাম:

নির্বাচন কমিশন নখ দন্তহীন বাঘ নয়, বিড়ালে পরিণত হবে: মাহবুব তালুকদার

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশোধনী এবং স্থানীয় সরকার পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা আইন প্রণয়নের বিরোধিতা করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার অনুষ্ঠিত কমিশনের বৈঠকে আইন দুটির বিরোধিতা করে তিনি নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি লক্ষ্য করেছি, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ইতোপূর্বে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ রহিত করে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ২০২০ বিল’ -এর খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। আইন মন্ত্রণালয়ের মতে এই প্রস্তাবে ১১টি মৌলিক ও পদ্ধতিগত বিধান বাদ দিয়ে খসড়াটি উক্ত মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, আরপিও বা ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ -এর ৯১ই ধারায় কোনও প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সরাসরি ক্ষমতা, যা নির্বাচন কমিশনের কাছে ন্যস্ত ছিল, তার বিলোপ সাধন। এই ধারাটি সকল রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে আরপিওতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, পূর্ববর্তী রকিবউদ্দিন কমিশন এটি বাতিলের উদ্যোগ নিয়ে চরম সমালোচনার মধ্যে পড়ে এবং পরে ওই উদ্যোগ থেকে সরে আসে। প্রার্থিতা সরাসরি বাতিলের একক ক্ষমতা থেকে সরে আসা নির্বাচন কমিশনের একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে মনে করি। আমার মতে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা এককভাবে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আবশ্যক।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের তৃতীয় অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ প্রণয়ন ও জারি করেন। এটি একটি ঐতিহাসিক আইনগত দলিল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার অনন্য স্মারক। কী কারণে বা কোন যুক্তিতে এই পরিবর্তন প্রয়োজন, তা আমার বোধগম্য নয়।

Loading