খুলনায় চাঁদাবাজ ঠেকাতে ঠিকাদারের করা গুলিতে কিশোরী আহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঠিকাদার ইউসুফ আলী বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এদিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ চাঁদাবাজদের আটক করতে পারেনি।
খুলনা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া। একদিন পার হলেও চাঁদাবাজদের উদ্দেশে ঠিকাদার ইউসুফ আলীর ছোড়া গুলিতে আহত কিশোরী লামিয়ার পায়ে এখনও অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি।
লামিয়ার মামা বলেন, ও ব্যথায় কাতরাচ্ছে। এখনো অপারেশন করে গুলি বের করা হয়নি।লামিয়া মা জানান, সবাই খোঁজ-খবর নিচ্ছে। আমার মেয়ের সুচিকিৎসা আমি চাই।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুলিতে পায়ের হাড় ভেঙে গেলেও লামিয়া আশঙ্কামুক্ত।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. মিল্টন মল্লিক বলেন, আমরা অর্থপেডিক্সের পরামর্শ নিবো; এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নগরীর পূর্ববানিয়া খামার এলাকার আরাফাত মসজিদ মোড় এলাকায় ঠিকাদার ইউসুফ আলীর বাড়িতে চার যুবক পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলে ব্যক্তিগত পিস্তল দিয়ে তাদের গুলি করলে একটি গুলি কিশোরী লামিয়ার পায়ে লাগে।
এ ঘটনায় রাতে ঠিকাদার ইউসুফ আলী বাদী হয়ে খুলনা থানায় মামলা করেন। তবে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
![]()