বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গণমাধ্যমে খবর এসেছে এতে প্রধানমন্ত্রীয় সায় আছে। নির্বাহী আদেশে দ্বিতীয় দফায় আগের শর্তেই মুক্তির বিষয়টিতে বিএনপি অসন্তুষ্টি ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এর আগে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতৃবৃন্দ বলে আসছিলেন অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার জন্য। কিন্তু জিয়া পরিবারের করা আবেদনে বিদেশে চিকিৎসার করানোর বিষয়টি উল্লেখ ছিলো না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
সুত্র জানায়, জিয়া পরিবারের সদস্যরাও এটাকে মন্দের ভালো হিসেবে দেখছেন। যদিও সরকারের এই সিদ্ধান্তে জিয়া পরিবার নিরবতা পালন করছেন।
বিএনপি প্রতিক্রিয়া জানতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, যেহেতু মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি কোনো অফিসিয়াল চিঠি পাননি একারণে তিনি এ বিষয়ে কথা বলবেন না। আদেশের কপি পাওয়ার পর মন্তব্য করবেন।
তবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো মানুষকে সীমাবদ্ধ করে রাখা উচিত না। এটা মানুষের মৌলিক অধিকার। চিকিৎসার বিষয়টি উন্মুক্ত রাখা উচিত। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী এমপিরা বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছে। শুধুমাত্র বাঁধা ওনার (খালেদা জিয়া) ক্ষেত্রে। এটা ঠিক না। আর একজন মানুষ চিকিৎসা কোথায় নেবেন এটার জন্য আবেদনের প্রয়োজন পড়ে না।
![]()