বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এটি চুরি ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে অপপ্রচার চালানো হলেও মূলত এটি পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনা। কারণ দুর্বৃত্তরা কোন প্রকার জিনিস বা সম্পদ চুরি করেনি বা খোয়া যায়নি। এ ঘটনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকতে পারে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আরও বলা হয়, ওয়াহিদা খানম সৎ, নির্লোভ ও নির্ভীক কর্মকর্তা। স্বার্থোন্বেষী মহল বেআইনী তদবীরে ব্যর্থ হয়ে প্রতিহিংসাবশত এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টির সঠিক তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।
দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহীদা খানমের বাসায় গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে দুর্বত্তরা হামলা চালায়। ওয়াহীদা খানম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের আইসিইউতে আশঙ্কাজন অবস্থায় আছেন।
হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রভাবশালীদের ক্ষোভের বহিপ্রকাশ। সম্প্রতি তিনি বালুমহলসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি সৎ ও নির্লোভ হওয়ায়, অনেকের তদবির বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ইউএনও ওয়াহিদার সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর ভেঙে বাসায় ঢুকে ওয়াহিদা ও তার বাবার উপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ইউএনওকে প্রথমে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) নিয়ে ভর্তি করা হয়। এরপর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে তাকে আনা হয় ঢাকায়। তিনি বর্তমানে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
![]()