২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৩২
শিরোনাম:

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সততা, দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে পদোন্নতি দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহবান

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাসদর, নৌবাহিনী সদর দপ্তর ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে সশস্ত্র বাহিনী পর্ষদ ২০২০ (১ম পর্ব)- এ অংশ নেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সশস্ত্র বাহিনী পর্ষদের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদে আপনারা সব জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা একত্রিত হয়েছেন। আপনাদের প্রজ্ঞা, আপনাদের বিচার-বুদ্ধি, আপনাদের ন্যায়পরায়ণতার ওপর আমরা যথেষ্ট আস্থা আছে। আমি এটুকু অনুরোধ করবো এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে উপযুক্ত কর্মকর্তারা যাতে প্রমোশনটা পায়।

তিনি আরো বলেন, আপনারা ন্যায়নীতির ভিত্তিতে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে এই প্রমোশন দেবেন। যাতে সবার ভেতরে একটা আস্থা আসে। আমি জানি অনেকে উপযুক্ত, তবে সবাইকে দেওয়া যায় না। কারণ পদটা সীমিত। তারপরও আপনারা অবশ্যই দেখবেন যারা সত্যিকার উপযুক্ত তারা যেন প্রমোশন পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেমন সশস্ত্র বাহিনীর অফিসারদের পদোন্নতির জন্য আধুনিক পদ্ধতি অর্থাৎ ট্রেস ট্যাবুলেটেড রেকর্ড অ্যান্ড কমপারেটিভ ইভালুয়েশনের মাধ্যমে কারা প্রমোশন পাওয়ার উপযুক্ত, সেই দক্ষতা কার কতটুকু আছে তার তুলনামূলক মূল্যায়ন করে আপনারা সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে এটুকু দেখতে হবে শুধু খাতা-কলমে বেশি নম্বর পাওয়া না, যারা ফিল্ডে ভালো কাজ করতে পারে, কমান্ড করতে পারে বা নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা বা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ক্ষমতা আছে কিনা সেগুলো আপনাদের বিচারে আনতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যেসব অফিসার সামরিক জীবনে বিভিন্ন কর্মকান্ডে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে সফল হয়েছেন পদোন্নতির ক্ষেত্রে তাদের আপনারা অবশ্যই বিবেচনা করবেন। সেটা আমি চাই। আর যে কোনো একজন অফিসার বা কর্মকর্তা তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের পেশাগত মান, যোগ্যতা ও দক্ষতা- এটা বিবেচ্য বিষয় হবে সেটা অগ্রাধিকার আপনারা দেবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন একটা সশস্ত্র বাহিনী আমরা গড়ে তুলতে চাই। আর সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা এই দেশটাকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা আমাদের নীতিমালাও নিয়েছি।

Loading