২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৫২
শিরোনাম:

লামায় সওজ এর ১১ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ, তদারকিতে নেই উর্ধ্বতন কেউ

লামা( বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে লামা উপজেলায় ১১ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে, সড়ক বিভাগের উর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতি ও তদারকি ছাড়া  উপসহকারী প্রকৌশলীর কার্য্যালয়ের দারোয়ানের মাধ্যমে ৫ ই সেপ্টেম্বর  সকাল ১১টায় এই উন্নয়ন কাজ শুরু হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

লামা বাজারের চৌরাস্তার মোড় হতে মধুঝিরি পর্যন্ত এই উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে লামা বাজারের প্রাণকেন্দ্র গোপাল বাবুর মোড় হতে মধুঝিরি পর্যন্ত ড্রেন নির্মান রাস্তা উঁচু ও প্রশস্তকরন, কাজটি বাস্তবায়ন করছে রিমি নির্মান সংস্থা নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।

এদিকে উক্ত উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে লামার স্থানীয় জনসাধারণ ও সচেতন মহল,
তারা বলছে লামা বাজারের যানজট নিরসন ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হলে রাস্তার উপর নির্মিত গোপাল বাবুল বিল্ডিংয়ের বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে, না হলে উক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল হতে বঞ্চিত হবে লামা উপজেলার জনগণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লামা বাজারের কয়েজজন ব্যাবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন উক্ত প্রকল্পের কার্যাদেশ মোতাবেক বাজারের যানজট নিরসনের জন্য রাস্তার বাম পাশে  ড্রেন নির্মান করার কথা থাকলেও গোপাল বাবুর বিল্ডিংয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য  তা মানছেনা ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।

এ ছাড়াও সরেজমিনে দেখাযায় নিন্মমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ চলছে, ড্রেন নির্মানের জন্য উন্নতমানের পাথরের কংকর ব্যবহারের কথা থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা না মেনে ইটের কংকর দিয়ে ড্রেনের ঢালাই কাজ করছে, নিয়ম মোতাবেক ড্রেনের নিচের অংশের ঢালাই ৪ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও তা না মেনে গড়ে ২ ইঞ্চির ঢালাই দেয়া হচ্ছে।

কার্যাদেশে যেই সিমেন্ট ব্যবহার কথা তা না করে নিন্মমানের সিমেন্ট ব্যবহার করছে, যেই এমএম এর রড় ব্যবহার করার কথা তা না করে নিন্মমানের রড় ব্যবহার করছে।
প্রতিদিনের কাজের তদারকির জন্য ঊধ্বর্তন অফিসার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তা অমান্য করে, অফিসের দারোয়ানের মাধ্যমে কাজ তদারকি করা হয়, যার ফলে কাজের গুনগত মান নিশ্চিত হচ্ছেনা।

ঊধ্বর্তন কতৃপক্ষের অনুপস্থিতিতে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে চাইলে, বান্দরবান সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন কাজ শুরুর দুই দিন আগে আমাদের উপসহকারী প্রকৌশলী সেখানে গিয়ে সব কিছু দেখে আসে এরপরও কোন অনিয়ম থাকলে আমরা খোঁজ নিয়ে ব্যাবস্থা গ্রহন করব।

Loading