৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:৩০
শিরোনাম:

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, এই পথ ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনায় পার্বত্য এলাকা। শান্তি চুক্তির অধিকাংশ শর্ত ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যা ও নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, চুক্তির অবশিষ্ট শর্তসমূহ বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গম পাহাড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শেখ হাসিনা এখন উন্নয়নের স্বর্ণ দুয়ার খুলে সংকটকে রুপ দিয়েছেন সম্ভাবনায়।

উন্নয়নের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারাকে ব্যহত না করে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে আসতে হবে। পার্বত্য জেলার সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার স্বকীয়তা বজায় রেখে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে বাস্তবায়ন করে চলেছে বিভিন্ন প্রকল্প।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সরকারের আগে কোন সরকারই পাহাড়ের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়নি। পাহাড়কে অশান্ত করে রক্ত ঝরিয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির পায়রা উড়িয়েছেন এবং দুর্গমকে করেছেন সুগম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার সীমান্ত ঘেঁষে প্রায় ৩১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। এরমধ্যে ১০০ কিলোমিটার লিংক রোড এবং ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত বরাবর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

মঙ্গলবার সকালে তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজারের সড়ক উন্নয়ন বিষয়ক সভায় তাঁর বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

Loading