৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩০
শিরোনাম:

দেশে ঢুকতে শুরু করেছে ভারতীয় পেঁয়াজ

অবশেষে দেশে ঢুকতে শুরু করেছে বিভিন্ন স্থলবন্দরে আটকে থাকা ভারতীয় পেঁয়াজভর্তি ট্রাক। আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার পরপর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ঢুকতে শুরু করে পেঁয়াজের ট্রাক।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোনামসজিদ দিয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সাতটি ট্রাকে ১৯৯টন পেঁয়াজ দেশে ঢুকেছে। ট্রাক চালকরা জানান, এখনও ভারতের বন্দরে তিনশ’র বেশি ট্রাক আটকে আছে। কয়েকদিন ট্রাকের পেঁয়াজ আটকে থাকায় গরমে নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা করছেন পাইকাররা।

এদিকে, প্রবেশের অপেক্ষায় আছে হিলি স্থল বন্দরের ট্রাকগুলোও। এই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ ঢোকার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এর আগে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক চিঠিতে পেয়াঁজ রপ্তানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ওই চিঠির বরাত দিয়ে পেঁয়াজ আমাদানীকারক হারুনুর রশিদ জানান, আগের খোলা ঋণপত্রের বিপরীতে গেল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজই প্রবেশের অনুমতি পাবে। এসময় পর্যন্ত কি পরিমাণ পেঁয়াজের টেন্ডার হয়েছে নিশ্চিতভাবে তা জানা না গেলেও তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে অন্তত ২শ’ পেঁয়াজভর্তি ট্রাক। গরমের কারণে এসব ট্রাকের পেয়াঁজ নষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

উল্লেখ্য, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিপরীতে যোগান ঠিক রাখতে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে এমন ঘোষণা আসতে না আসতেই অস্থির হয়ে উঠে দেশের বাজার। এক রাতের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকার আড়তগুলোতে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে যায় এই নিত্যপণ্যের দাম। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০ টাকা দরে। আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিকেজি বিক্রি হয় ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। অনেক আড়তদার আবার  বিক্রিও বন্ধ করে দেন।

Loading