২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:৪৩
শিরোনাম:

ফের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো ভারত

পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর ভারতে আটকে পড়া পেঁয়াজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রপ্তানি শুরু করেন দেশটির ব্যবসায়ীরা। কিন্তু একদিন পরই অর্থাৎ রোববার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবার রপ্তানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রোববার বিকেল পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজবাহী কোনো ট্রাক দেশে প্রবেশ করেনি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নতুন করে নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা নেই।

গত সোমবার ভারত সরকার হঠাৎ করে কোনও কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এর পরে শুক্রবার একটি নোটিফিকেশন জারি করে যে, গত রবিবার টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজগুলো তারা রফতানি করবে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সেই নোটিফিকেশন মোতাবেক অনুমতি দেওয়ায় শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মাত্র ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। যে ১১ ট্রাক পেঁয়াজ রফতানি করেছে, তার অধিকাংশ পেঁয়াজই ইতোমধ্যে পচে নষ্ট হয়ে পানি ঝরছে। এ কারণে আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ নিয়ে এসেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এখনও দুইশ’র বেশি পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, এছাড়া যে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের এলসি দেওয়া রয়েছে, তার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। এগুলোর বিষয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা কী করবে তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছি। আজকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ প্রবেশ করবে কিনা সেই বিষয়টি আমাদের জানা নেই। কারণ শুধু গত রোববারের টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির জন্য অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু নতুন করে কোনও নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় কাস্টম বন্দর দিয়ে কোনও পেঁয়াজ রফতানি করতে দেবে না।

এদিকে হিলিতে শনিবার আমদানি হওয়ায় ভালোমানের কিছু পেঁয়াজ আগের দিনের চেয়ে রোববার কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Loading