সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২১ বছর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সম্পর্কের যেই কৃত্রিম দেয়াল ছিল তা এখন আর নেই। দু’দেশের সরকার এবং পিপল টু পিপল কন্ট্রাক্ট বাড়াতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অত্যন্ত উদার এবং ভবিষ্যতমুখী।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো হলে দু’দেশেরই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহজতর হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে এসব কথা বলেন কাদের।
দেশের সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে বলেও জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, রীভা গাঙ্গুলি দাস বাংলাদেশে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কূটনীতিক দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে।
এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। বাংলাদেশকে অনেক মিস করবেন বলেও জানান বিদায় বেলায় জানান রীভা গাঙ্গুলি।
![]()