২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২০
শিরোনাম:

দেবীগঞ্জে বাড়িতে হামলায় বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মিছিল

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড়: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে মিছিল বের করেছেন এলাকাবাসী।
দেবীগঞ্জ পৌরসদরের সবুজপাড়া এলাকার আক্তার হোসেনের বসতবাড়িতে মুন্সিপাড়ার ফারুক হোসেন গংয়ের হামলার ঘটনায় এলাকাবাসীরা বিচারের দাবিতে এই মিছিল বের করেন।
ভাংচুরের ঘটনায় আক্তার হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়রা জানান, ফারুক হোসেনের মেয়ে মনি আক্তার মনা (১৫) আকতার হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম আশরাফুলকে বিয়ের দাবিতে বেশ কয়েকবার আকতার হোসেনের বাসায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রতিবারই আকতার হোসেন মেয়ের বাবা ফারুক হোসেনকে অবগত করায় তারা এসে মনাকে নিয়ে যান।
বুধবার সকাল ৮ টায় মনা তার মায়ের মুঠোফোন থেকে আকতার হোসেনের মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। বিষয়টি আকতার হোসেন তাৎক্ষণিক মনার বাবাকে অবগত করেন।
একই দিন সকাল ১০‌ টায় ফারুক হোসেন, কামাল বেপারী, নিউটন আহমেদসহ আরো ৯/১০ জন হঠাৎ করে আকতার হোসেনের বসত বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এই সময় বাসায় আকতার হোসেনের স্ত্রী, শাশুড়ি ও মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। প্রতিবেশীরা ফারুক গংদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।
আকতার হোসেন জানান, ফারুকের মেয়ে মনা আমার ছেলেকে বিয়ের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে আমার বাসায় ৫ বার এসেছিল। প্রতিবারই আমি মনাকে তার অভিভাবকদের কাছে তুলে দিয়েছি। আমার ছেলের সাথে গোপনে মনাকে বিয়ে দেয়ার ইচ্ছা থাকলে কখনই তার অভিভাবকদের জানাতাম না। কিন্তু প্রতিবার জানানোর পরও আজ আমার বাসায় হঠাৎ করে ভাঙ্গচুর চালিয়েছেন তারা। বাসায় সেই সময় আমি ও আমার ছেলে উপস্থিত ছিলাম না। আমার ছেলেকেও মারধর করার জন্য হুমকি দিয়ে যান ফারুকরা।
তিনি বলেন, আমার স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়িকেও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেশীরা বাঁধা দিতে আসলে তাদেরকেও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়। এই বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেয়ার কথা জানান আক্তার হোসেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফারুক হোসেনের মুঠোফোনে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
দেবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বজলুর রশীদ বলেন, আক্তার হোসেনের অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। যার মামলা নং ২২।

Loading

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!