২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৫০
শিরোনাম:

এই শহরকে নিয়মের মধ্যে আনতে হবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, এই শহরে ব্যবসা করবেন, কিন্তু পারমিশন নিবেন না এটা তো হতে পারে না। আমরা এই যে সাইনবোর্ড ভাঙ্গছি, তাদেরকে বারবার বলা হয়েছে, একমাস যাবৎ বলা হয়েছে, আমরা পেপারে নোটিস দিয়েছি, গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। তারপরেও তারা কর্ণপাত করছেন না। এই যে ভবনগুলো দেখছেন, এখানে এতগুলো সাইনবোর্ড আছে, এরা কেউই সাইনবোর্ড বাবদ ট্যাক্স দেন নাই। কিন্তু তারা বাণিজ্য করে যাচ্ছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকায়ও এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে বলে মেয়র বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, মগবাজার, কাওরানবাজার, মালিবাগ যত জায়গা আছে সব জায়গায় যাব। যেহেতু আমাদের লোকবল সঙ্কট আছে, তাই আমরা আস্তে আস্তে কাজটি করছি।

তিনি বলেন, এই শহরের অভিভাবক আছেন। মেয়র ও কাউন্সিলরগণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এই যে সাইনবোর্ডগুলো দেখছেন, এটা সম্পূর্ণ একটি বিশৃঙ্খলা। আমরা যেখানে অনিয়ম দেখব সেখানে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

আতিকুল ইসলাম বলেন, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হলে, মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে, এমনকি আমাদের কর্মচারীদের বেতন দিতে হলে, আমাদেরকে ট্যাক্স আদায় করতে হবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আসুন একটা সুন্দর শহর করি। এই শহর আমাদের সকলের। এখনো সময় আছে যারা সাইনবোর্ডের অনুমোদন নেননি, মাপ দেখে নির্দিষ্ট হারে কর প্রদান করুন।

অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে যমুনা ফিউচার পার্ক পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৫০টি অবৈধ সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়। উচ্ছেদকৃত এসব সাইনবোর্ড নিলামে ৩ হাজার টাকা বিক্রয় করা হয়। এছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২টি মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া আরো ৪টি অঞ্চলে অভিযান চালানো হয়।

রোববার ডিএনসিসির পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও সড়কে অবৈধভাবে রাখা নির্মাণসামগ্রী নিলাম ও অবৈধ সাইনবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। প্রায় ৯শ’টি অবৈধ সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়। এছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৬ টি মামলায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া সড়ক ও ফুটপাতে রাখা নির্মাণসামগ্রী এবং অপসারনকৃত সাইনবোর্ড নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৫ টাকা পাওয়া যায়।

 

[৯] নিলাম ও উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, সচিব মোজাম্মেল হক, উপস্থিত ছিলেন।

Loading