২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:২৭
শিরোনাম:

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন

এম.মাসুম বিল্লাহ,  বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলীতে জমি-জমার বিরোধের জের ধরে অটোরিক্সার চালককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেল। এ ঘটনায় ইয়াবা চক্রের আবুল হোসেন নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছে।
শনিবার সকালে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চত করেছেন। গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন তালতলী উপজেলার ঠংপাড়া এলাকার মো. ইউসুফ আলীর পুত্র।
জানা যায়, উপজেলার মৌরুবী এলাকার জহিরুলের পরিবারের সাথে একই এলাকার জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার ও ফারুক জোমাদ্দারসহ তাদের পরিবারের জমিজমার বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ফারুক জোমাদ্দারের ছেলে নিজাম জোমাদ্দার তাদের প্রতিপক্ষ খলিল মুন্সীর ছেলে জহিরুলকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করে।
নিজাম জোমাদ্দার আবুল ও তার সহযোগীদের চার হাজার টাকায় চুক্তি করে। পরে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার সদর রোডের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জহিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি অটো থামিয়ে একটি দোকান থেকে মালামাল ক্রয়ের জন্য যান। এ সুযোগে ৩ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম গাঁজা জহিরুলের অটোর সিটের নিচে রাখে আবুল হোসেন ও তার তিন সহযোগী। এরপর পুলিশে খবর দেয় আবুল। পুলিশ গিয়ে অটোরিক্সার সিটের নিচ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করে ও জহিরুলকে আটক করে।
জহিরুলকে আটকের পর বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে তথ্যদাতা আবুল হোসেনকে শুক্রবার রাতেই আটক করে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসা করেন। আবুল জানায়, জহিরুলের পরিবারের সাথে জমিজমার বিরোধের জেরে তাদের প্রতিপক্ষ নিজাম জোমাদ্দার ৪ হাজার টাকা দেয়। ওই টাকা দিয়ে ইয়াবা ও গাঁজা কিনে গাড়িতে রেখে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, জহিরুল মাদকের সাথে জড়িত না। যারা মাদকের তথ্য দিয়েছে তারাই গাড়িতে মাদক রেখে জহিরুলকে ফাঁসিয়েছে। জহিরুলকে ছেড়ে দিয়ে এ ঘটনায় জড়িত আবুল হোসেন ও নিজাম জোমাদ্দারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বাকি দুইজনের নাম বলা যাচ্ছে না। এই দুইজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Loading

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!