২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৫৮
শিরোনাম:

দালালের কাছে আড়াই লাখ টাকা ফেরত চাওয়ায় খুন, গ্রেফতার ৪

পাসপোর্ট সংশোধনের কাজ না হওয়ায় দালালের কাছে দেয়া আড়াই লাখ টাকা ফেরত চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র মেহেদী। আর তাতেই দিতে হয় প্রাণ। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে তিনটি পাসপোর্টের নাম সংশোধন করতে দিয়েছিলেন মেহেদী। কাজ না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে কৌশলে দালাল আহসান ও তার সহযোগীরা তাকে খিলখেতের বাসায় নিয়ে যায়। প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে, পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে হাতিরঝিলে ফেলে যায়।

পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য দূর করতে বিভিন্ন সময়ই চালানো হয় শুদ্ধি অভিযান। তারপরও নানা কায়দায় জালিয়াতির পথ খুঁজে নেয় তারা। এমনই প্রতারণা ধরে ফেলায় খুন করা হয় চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মেহেদীর।

ঢাকা মহানগর পুলিশ তেজগাঁও বিভাগেড় উপকমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, তারা যখন কোনো গাড়ি পায় না তখন আলাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তির গাড়ি তারা নিয়ে আসে। এ গাড়িতে লাশ ফেলানোর কথা ছিল অনেক দূরে, সাইদাবাদের দিকে। যখন দেখছে বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, হাতিঝিল অনেক অন্ধকার সেখানে ফেলে দিয়ে চলে গেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ তেজগাঁও বিভাগেড় উপকমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ছোট একটা চিঠির বরাত দিয়ে আমরা কিন্তু প্রথম ধরি আহসান, তামিমকে। তারপর আমরা আলাউদ্দিনসহ সবাইকে গ্রেফতার করি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশীদ জানান, মেহেদীর লাশের কিছুটা দূরে পরে থাকা একটি কাগজের টুকরোয় পাওয়া ফোন নম্বরের সূত্র ধরে মেহেদীর পরিচয় নিশ্চিত হন তারা। এরপর একে একে আসামি আহসান, তামিম, আলাউদ্দিন ও রহিমকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর হাতিরঝিলের মেরুল বাড্ডা প্রান্ত থেকে চট্টগ্রামের বাসিন্দা মেহেদীর পলিথিনে মোড়ানো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাসপোর্ট অফিসের কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

Loading