আগামী তিনদিনের মধ্যে টিসিবি’র মাধ্যমে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে আলুর কোন ঘাটতি নেই। প্রচুর আলু আবাদ হয়েছে। বন্যা ও বৃষ্টির কারণে সবজির আবাদ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আলুর চাহিদা বেড়েছে। তবে আলু সংকটের কোন সম্ভাবনা নেই। সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি আলুর দাম হবার কোন কারণ নেই। কোন অবস্থাতেই অধিক লাভ করার সুযোগ দেয়া হবে না। সরকার নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আলু বিক্রয় নিশ্চিত করা হবে। ‘কৃষি বিপণন অধিদপ্তর’ থেকে তিন স্তরে যে দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে সেটা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ‘কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশন’, আলুর পাইকারী বিক্রেতা, কৃষি বিপণণ অধিদফতর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদতরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত: সম্প্রতি খুচরা বাজারে কেজি প্রতি আলুর দাম ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হওয়ায় সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ইতোমধ্যে কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং খুচড়া পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, নির্ধারিত দাম না মানলে কোল্ড স্টোরেজ থেকে এই দামে আলু কিনে বাজারে ছাড়ার ক্ষমতা সরকারের আছে। তাই আমরা তাদের বিপদে ফেলতে চাই না। যেভাবে হিসাব করা হয়েছে ২৩, ২৫ ও ৩০ টাকা সেটা যথেষ্ট বিবেচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ক্রেতাদের সাশ্রয়ী মূল্যে আলু সরবরাহের উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ট্রাক সেলের মাধ্যমে আলু বিক্রয় শুরু করবে।
জানা যায়, বৈঠকে কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের নির্ধারিত দাম বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন কোল্ডস্টোরেজ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।
বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কৃষি বিপণণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব(রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব(আইআইটি) মো. হাফিজুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ(টিসিবি) এর চেয়ারম্যান ব্রি.জে মো. আরিফুল হাসান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তাক হোসেন, ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আল-বেরুনি, র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই-এর প্রতিনিধি, কোল্ড ষ্টোরেজ এসোসিয়েশন এবং পাইকারী আলু ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা দু’য়েক দিনের মধ্যেই কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের সঙ্গে বসবো। সেখানে কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা যদি তাদের কোন যুক্তি বা কিছু দেখাতে পারেন, তাহলে তারা সেটা দিতে পারবেন। কিন্তু এই মুহুর্তে আমরা শক্তভাবে যে দামটা দেয়া হয়েছে, সেটা অবিলম্বে কার্যকর করতে চাই।
![]()