২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৩০
শিরোনাম:

টাকা ফেরত পেতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল আমানতকারি

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে মতিঝিল সিটি সেন্টারের সামনে তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। নিজেদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের টাকা দ্রুত ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন অবসায়ন হওয়া পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের ছয় হাজার ব্যক্তি আমানতকারি। যমুনা টিভি ও কালেরকন্ঠ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মাননীয় প্রধনমন্ত্রীর নিকট আমাদের আকুল আৰদেন- আমরা বাঁচতে চাই। আমাদের বাচানোর পথ সুগম করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনার একান্ত সাহায্য আমরা কামনা করছি। আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীর নেয়া যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত যা আমাদের মতো অসহায় অমানতকারীদের জীবন বাঁচাবে। দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শৃংখলা ফিরে আসবে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।

ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র আমানতকারিদের কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে কয়েক হাজার ব্যক্তি আমানতকারি অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলের কনভেনার ও প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক ও সেক্রেটারি জেনারেল রানা ঘোষ।

অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছ- এখনই পিপলস লিজিংকে অবসায়ন না করে ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানত দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে সরকার যেভাবে ফারমারর্স ব্যাংকে অবসায়ন না করে পদ্মা ব্যাংক নামে পুনঃগঠন করেছেন এবং বিসিআই ব্যাংককে অবসায়ন না করে ইস্টার্ন ব্যাংক নামে পুনঃগঠন করে গ্রাহকদের আমানত ফিরিয়ে দিয়েছেন। ঠিক তেমনি পিপলস লিজিংকে এখন অবসায়ন না করে পুনঃগঠন করে চালু করে দ্রুত গ্রাহকদের আমানত ফেরত প্রদান করে সরকার তার নিজের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করবে। ফলে নিরীহ আমানতকারীরাও তাদের অমানত ফেরৎ পাবে।

এছাড়া অবিলম্বে পিপলস লিজিং এর সাথে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দোষীদের শাস্তি প্রদান করা। বিশেষ করে দোষী ব্যক্তিরা যাতে বিদেশ পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা, তাদের সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

Loading