২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৪
শিরোনাম:

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন রোধে ‘হটলাইন’ চালু ও ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করছে পুলিশ

ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে ইতিমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ৫০টি থানায় এ টিম গঠণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল থানায় এ টিম গঠণ করা হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ডিএমপির তেজগাঁওয়ে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) অধীনে থাকবে এ টিম। এই টিমে দুইজন নারী পুলিশসহ মোট ছয়জন সদস্য থাকবেন। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং আইনি সহায়তায় এই টিম ২৪ ঘণ্টাই সজাগ থাকবে। টহল আরো জোরদার করবে। প্রতিটি থানার ওসি (তদন্ত) এই টিমের প্রধান থাকবেন।

পুলিশ জানায়, দেশে একের পর এক ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের মুখে ইতোমধ্যে সরকার আইন সংশোধন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সারাদেশে সমাবেশও করেছে পুলিশ। এবার ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন রোধে ‘হটলাইন’ চালু ও ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

ডিএমপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগরীর যে কোনো জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে এ টিমের সহায়তা নিতে পারবে। এ টিমের কয়েকটি মোবাইল নম্বর থাকবে, যেসব নম্বরে যোগাযোগ করলেই তাৎক্ষণিক সেবা পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে ৯৯৯-এর মতো জরুরি সেবা দেওয়া হবে। গত রোববার ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনাসভায় কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এ টিম গঠনের কথা জানিয়েছেন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের গত ৯ মাসে ৯৭৫ নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে অনেকে। অবশ্য এ হিসাবের চেয়েও বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। কারণ অনেকেই ধর্ষণের শিকার হয়েও মানসম্মানের ভয়ে বিষয়টি গোপন করে রাখে। সেগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ প্রতিটি বিভাগ ও জেলায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এই কুইক রেসপন্স টিম গঠণ করেছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল থানায় এ টিম গঠণ করা হবে। এ টিমের সদস্যরা কিশোরদের আড্ডাস্থল ও সম্ভাব্য অপরাধ প্রবন এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল দেবে।

 

Loading