২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:০৮
শিরোনাম:

সনাতন ধর্মালম্বী এক ছেলে মুসলিম পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক মুসলিম তরুণী স্কুল ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে

(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর মান্দা উপজেলার যোথরী গ্রামের ৯ম শ্রেণীর স্কুল এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার সময় হাতে নাতে অলিপ চন্দ্র পাল (২৫) নামে একজনকে আটক করে ভুক্তভোগীর বাবা এবং গ্রামবাসীর সহায়তায় তাকে পুলিশের হাতে সপর্দ করেছে। আটক অলিপ চদ্র পাল নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার যোথরী গ্রামের অতুল চন্দ্র পালের ছেলে। সে সনাতন ধর্মালম্বী।

এ বিষয়ে ধর্ষণের শিকার মোছাঃ রিনা খাতুন বলেন, “আটক অলিপের সাথে রিনার এক বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় এবং সেখান থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। রিনা আরো বলেন “অলিপ আমাকে মুসলিম বলে পরিচয় দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আমার সাথে প্রতারণা করে শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। অলিপ রিনার সাথে প্রায় প্রতিদিনই কথা বলতো এবং বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিতো। অলিপ গতকাল রাতে রিনার বাড়ীতে আসেন। রিনার ঘরে প্রবেশ করে এবং তাকে বিয়ে করার কথা বলে কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। শারীরিক সম্পর্ক করার পর রিনাকে বিয়ে করতে পারবেনা বললে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়”।

এক পর্যায়ে পাশের রুম থেকে রিনার বাবা মোঃ আব্বাস তাদের কথা শুনতে পান। তিনি এসে মেয়েকে ডাকেন, তখন রিনা দরজা খুলে দিলে রিনার বাবা গভীর রাতে রিনার ঘর হতে অলিপকে হাতেনাতে আটক করে।

এ ঘঠনা শুনার পর গ্রামবাসী ঘঠনাস্থলে আসেন এবং ইউপি সদস্য এবং মহিলা ইউপি সদস্য কে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে ঘটনা দেখে থানাতে খবর দিলে, এসআই হাবিব ঘঠনাস্থলে গিয়ে অলিপকে আটক করে থানাতে নিয়ে আসেন।

ভুক্তভোগী রিনা মান্দা উপজেলার কালিকাপুর (জংলী পাড়া) গ্রামের আব্বাস এর মেয়ে, সে মান্দা এমসি পাইলট স্কুল এ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এব্যাপারে রিনার বাবা বাদি হয়ে মান্দা থানাতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মান্দা থানা ওসি (তদন্ত) তারেকুর রহমানে বলেন, “রিনার বাবা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, এবং অভিযুক্ত অলিপকে তারা আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন, মামলা দায়ের পূর্বক আসামিকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরন করা হবে”।

Loading