২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:২০
শিরোনাম:

ইফরান সেলিমের মামলার তদন্ত পুলিশ প্রভাবমুক্ত, প্রভাব খাটানোর কোনও সুযোগ নেই : ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইফরান সেলিমের মামলার তদন্ত পুলিশ প্রভাবমুক্ত হয়ে করছে। এখানে প্রভাব খাটানোর কোনও সুযোগ নেই। মঙ্গলবার দুপুরে তেজগাঁও থানা কমপেক্সে ভিকটিম রেসপন্স ও হটলাইন নম্বর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মামলাটি সঠিকভাবে তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এটি আমরা ডকুমেন্ট দেখবো। তখন প্রয়োজন মনে করলে আমরা তদন্তের জন্য ডিবিতে স্থানান্তর করবো।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তার স্ত্রীকেও অসম্মান করা হয়। ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। রমনার ডিসি ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ মামলার তদন্তের কাজে যতটুকু সহযোগিতা করা যায় সেটি করছেন। দ্রæত সময়ের মধ্যে সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এই মামলার দুই নম্বর আসামি দিপুকে আমাদের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) টিম টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ ও মামলার তদন্ত দ্রæত শেষ করা হবে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি একজন সংসদ সদস্যের ছেলে। পুলিশ প্রভাবমুক্ত হয়ে এ মামলার তদন্ত করতে পারবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিঃসন্দেহে প্রভাবমুক্ত থাকবে। এখানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টাও কেউ করবে না। এটা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করতে যা প্রয়োজন আমরা সেভাবেই কাজ করবো। যেভাবে একজন অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা দরকার, তাই করা হবে। কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেছেন নৌ বাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান। মামলার আসামিরা হলেন- ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, হাজি সেলিমের মদিনা গ্রæপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন।

তিনি বলেন, আমরা দ্রæততম সময়ে এই মামলার তদন্ত করবো ও অভিযোগপত্র জমা দেবো। আমরা মামলাটি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। সচরাচর হত্যা মামলার মতো ঘটনা থাকলে ঘটনাস্থল উপ-পুলিশ কমিশনার পরিদর্শন করেন না। কিন্তু এই ঘটনার পরপরই রমনা বিভাগের ডিসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

 

Loading