দোকানপাট, মার্কেট, বিপণিবিতানে মাস্ক ছাড়া ক্রেতাদের রোববার (১ নভেম্বর) থেকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। মাস্ক ছাড়া মার্কেটে গেলে কোনও ধরনের সেবা দেয়া হবে না। এমন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। তবে শপিংমলগুলোতে দেখা গেছে অনেকেই মানছেন না এ নির্দেশনা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এরই অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় নির্দেশনা দেয়া হয়, মাস্ক ছাড়া সরকারি বেসরকারি কোনও সেবাই দেয়া হবে না। এ নির্দেশনার আওতায় আছে অফিস, হাটবাজার, শপিংমল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্মেলন।
করোনার দ্বিতীয় ধাপে সংক্রমণ ঠেকাতে নড়েচড়ে বসেছে দেশের সব মহল। সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন সব স্থানেই চলছে কড়াকড়ি আরোপের প্রস্তুতি।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার দোকান মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলনেও বিপণিবিতান আর শপিংমলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করা হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাস্ক ছাড়া বিপণিবিতানে এলে কোনও সেবাই দেয়া হবে না।
এরপরও বিপণিবিতান বা বাজারগুলোতে মাস্ক পরতে অনীহা দেখা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মাস্ক না পরার নানা ধরনের অজুহাতও দিচ্ছেন তারা।
তারা বলেন, মাস্ক পড়লে অস্থির লাগে। দমবন্ধ হয়ে আসে। অনেক গরম লাগে। তাই পরি না।
তারা বলেন, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত কেউ মাস্ক ছাড়া এলে আমরা তাদের কোনও সেবা দেব না।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা করোনায় বিপর্যস্ত হওয়ায় ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয় ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা এবং ব্যাংকঋণ প্রদানে অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বাধ্যবাধকতার শর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
![]()