এ পর্যন্ত প্রায় ১৭ টিরও বেশি মাছের খামার তৈরি করেছেন তিনি।তার এখানে চাষ হয় মূলত কই, পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়া মাছের। প্রতি ৬ মাস পর পর এখান থেকে মাছ বিক্রি করা হয়। পাইকাররা তার খামার থেকেই মাছ কিনে নিয়ে যায়। আর সপ্তাহে একবার করে ঘেরের পানি বদল করা হয় নিজস্ব সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে।
শফিউল্লাহ জানান, ২০০৪ সালে মাত্র ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০ শতাংশ জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন। সে বছর তার সামান্য লাভ হয়। কিন্তু এ ব্যবসার প্রতি আকর্ষণ বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ গ্রহণ করে তার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে থাকেন।
তিনি জানান, এরপর থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সাফল্য ধরা দিতে থাকে। এলাকার বিভিন্ন সরকারি খাস পুকুর এবং ব্যক্তি পর্যায়ের পুকুর লিজ নিয়ে তিনি তার মাছ চাষের পরিসর বৃদ্ধি করতে থাকেন।
![]()