মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ তাদের মতাদর্শের ভিত্তিতেই একটা চরম সাম্প্রদায়িক সংগঠন। তারা মুসলমান সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিমা ভাংচুর, হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, মন্দির দখল, জোর করে মুসলমান বানানো ইত্যাদি সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের এজেন্টরা অপপ্রচার সারা বিশ্বে ছড়াচ্ছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!‘পাকিস্তানি হানাদার চেয়ে নিকৃষ্ট’ এমন বক্তব্যে এদেশের জনগন ও সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করেছে বলেও মনে করেন বাংলাদেশ ওলামা লীগ। অবিলম্বে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তারা।
বক্তাদের দাবি, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাস্থ্য সংকটসহ সকল সংকট থেকে মুক্তি পাবে।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। ৬ দফা দাবী নিয়ে মানববন্ধনটির আয়োজন করে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দল।
বক্তারা আরও বলেন, মসজিদে গেলে মাস্ক পড়তে হবে- এ প্রচারণার অর্থ মসজিদে গেলে করোনা হয়। অথচ মসজিদ মহান আল্লাহ’র রহমতের ঘর। কাজেই মসজিদের সম্মান রক্ষার্থে মসজিদে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা যাবেনা। করোনা ভাইরাস দেয়ার এবং তা থেকে রক্ষার মালিক মহান আল্লাহ পাক।
সমাবেশ ও মানববন্ধনে সমন্বয় করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী মওলামা লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী।আরও বক্তব্য দেন- সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার,মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী, দপ্তর সম্পাদক- ওলামা লীগ প্রমুখ।
![]()