২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:১০
শিরোনাম:

আগামী সপ্তাহে চালু হতে পারে অ্যান্টিজেন টেস্ট

দুই মাস আগে সরকার অনুমতি দিলেও ক্রয়সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার কারণে এখনো চালু হয়নি কোভিড-১৯ পরীক্ষার অ্যান্টিজেন টেস্ট।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি সদস্য ও স্বাচিপ ইকবাল আর্সলান বলেন, সহজ ও দ্রুততম সময়ে বেশি টেস্ট করার মাধ্যম হলো অ্যান্টিজেন টেস্ট। এর আরেকটা সুবিধা হওয়ায় লেস টেকনিক্যাল হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর ব্যবহার করতে পারবো।

শনিবার গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেছেন, আশা করছি, করোনা অ্যান্টিজেন টেস্ট আগামী সপ্তাহে চালু করতে পারব।

তিনি বলেন, ফলাফল কতোটা নির্ভুল হবে, তা নির্ভর করে কিটের মান, নমুনার মান এবং সংক্রমণের কোন পর্যায়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেসব রোগীর মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ রয়েছে, তাদেরকে অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হবে। এতে যারা পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাদেরকে আইসোলেশনে নেয়া হবে। আর যাদের ক্ষেত্রে ফলাফল নেগেটিভ আসবে, তাদেরকে পিসিআর টেস্টের জন্য পাঠানো হবে। তবে যাদের উপসর্গ নেই তাদের পিসিআর টেস্ট প্রয়োজন নাই।

তিনি বলেন, র‌্যাপিট অ্যান্টিজেন টেস্টের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অ্যান্টিবডি টেস্ট শুরু করতে হবে। করোনা সংক্রমণে আমাদের অবস্থানটা কোথায় সেটা জানতে হবে। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী কিন্তু গ্রামে। হোম কেয়ার ছাড়া এদের প্রথমে চিকিৎসা জন্য দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে অক্সিজেন, অক্সিজেন মাস্ক, এবং হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, প্রতি লাখ লোকে অন্তত দুটি আইসিইউ বেড থাকা জরুরি। সে ব্যবস্থা যতক্ষণ করতে না পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত বলা যাবে না আমরা প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা বা সিডিসি-এর তথ্য মতে, অ্যান্টিজেন টেস্ট মূলত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য ভাইরাস শনাক্তের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই টেস্টের মাধ্যমে বিশেষ ভাইরাল অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, যা আসলে ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

Loading