২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০৩
শিরোনাম:

রাজশাহীতে শাহ মখদুম মেডিকেলে ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় পরিচালকসহ ১৫ জনের নামে মামলা

শনিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে এ মামলা দায়ের করা হয়ে বলে জানা গেছে। ডিবিসি টিভি

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আহত শিক্ষার্থীদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রীদের হাসপাতালের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ও ছাত্রদের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে রাজশাহীতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের ওপরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নগরের চন্দ্রিমা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১১ (সংশোধিত) প্রতিপালন না করায় রাজশাহীর শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজে ২০২০-২০২১ শিক্ষা বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের এ–সংক্রান্ত এক চিঠিতে এই মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানানো হয়। ওই চিঠি ৬ নভেম্বর মেডিকেল কলেজে এসে পৌঁছায়। চিঠিতে কলেজে শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন অন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে মাইগ্রেশন (স্থানান্তর) করার ব্যবস্থা করার জন্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারি এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

[৬] ৮ নভেম্বর এক সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতারিত হয়েছেন। তাঁদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি খোলা হয়েছিল। সার্টিফিকেট বিক্রির কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে যেন আর না গড়ে ওঠে। প্রতারণার কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।ওই দিনই কলেজটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাল্টা সমাবেশ করে বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। কর্তৃপক্ষও তাদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে বলে, কলেজ বন্ধ হয়ে গেলে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারাবেন। তাই যেন কলেজটি চালু রাখার ব্যবস্থা করে সরকার।

Loading