২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৪৯
শিরোনাম:

কুয়াকাটায় পৌরসভা নির্বাচনী মাঠ ক্রমশই উত্তাপ্ত

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : সাগর কন্যা খ্যাত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় পৌরসভা নির্বাচনী মাঠ ক্রমশই উত্তাপ্ত হয়ে
উঠছে। পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে মোট চার জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতায় রয়েছেন। ভোটারদের দাবি আওয়ামীলীগ মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মুলত দ্বিমুখি লড়াই হবে। এছাড়া কাউন্সিলর পড়ে লড়ছেন ৩৩ জন। মহিলা কাউন্সিলর পদে লড়ছেন আট জন প্রতিদ্বন্ধী। আট হাজার এক শ’ ১১ জন ভোটার অধ্যুষিত কুয়াকাটা পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ
বিরাজ করছে। তবে বিজয়ের ব্যাপারে সব প্রার্থীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এদিকে প্রতিনিই ঘটছে বিচ্ছিন ঘটনা। বুধবার রাত ১১ টার দিকে দুই নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘাতে সৃষ্টি হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে সাত জনকে কুয়াকাটা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এছাড়া মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এক সমর্থকের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে বড় ধরনের কোন সংঘাত ঘটেনি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৮ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌরসভার দ্বিতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আঃ বারেক
মোল্লা, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী কুয়াকাটা পৌর বিএনপির আহবায়ক আঃ আজিজ মুসুল্লী, জগ প্রতীকে স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। এছাড়া ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশে হাত পাখা প্রতীক নিয়ে মাঠে রায়েছে হাজী নুরুল ইসলাম মুসুল্লী।

মহিপুর থানার ওসি মো.মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, হামলা ভাংচুরের অভিযোগ সঠিক নয়। ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কেউ লিখিত কোন অভিযোগ দেয়নি। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা পৌর নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার আব্দুর রশীদ বলেন, আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইভিএম পদ্ধতিতে কুয়াকাটা পৌর সভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহনে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

Loading