২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৪৪
শিরোনাম:

চাল আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পরও ঠাকুরগাঁওয়ের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ

চাল আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পরও ঠাকুরগাঁওয়ের এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে! এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, সদর উপজেলার ঢোলারহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সীমান্ত কুমার বর্মন (নির্মল), সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম কিবরিয়া, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়, গড়েয়া হাট খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম, সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মো. সাহাব উদ্দীন ও শিবগঞ্জ খাদ্য গুদামের এস.এম গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে অস্তিত্বহীন নামসর্বস্ব ৫টি প্রতিষ্ঠানের নামে জাল জালিয়াতিভাবে কাগজপত্র তৈরি ও ব্যবহার করে ৬ মেট্রিক টন চাল (যার মূল্য ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬০৮ টাকা) আত্মসাৎ করে। এমন অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন তাদের বিরুদ্ধে।

মামলার ধারা দ.বি. ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২)। ওই মামলায় এ মাসের ৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন, দিনাজপুরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান চূড়ান্ত প্রতিবেদন সত্য (এফআরটি) বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন।

কিন্তু আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইদুর রহমান দু’রকম বক্তব্য উল্লেখ্য করেন।

প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রকল্প জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছেন। অন্যদিকে আবার আসামিদের এ মামলা থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছে। একই প্রতিবেদনে দু’রকম বক্তব্য থাকায় এলাকায় ক্ষোভ ও আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠেছে।

এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগে বলা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা যোগসাজশে মামলার প্রতিবেদনে আসামিদেরকে আবার দুর্নীতি করার সাহস, সুযোগ ও উৎসাহিত করা হয়েছে। অবিলম্বে পুনরায় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, এফআরটি দাখিলের খবর পেয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে কয়েকজন ব্যক্তি চলতি মাসের ২৩ তারিখে মামলাটি পুনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে ঢাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে ডাকযোগে লিখিত আবেদন পাঠান।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, দিনাজপুরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান সময় নিউজকে জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলিছে, এটা সত্য। তবে তারা পরবর্তীতে সরকারি কোষাগারে সব টাকা ফেরত দিয়েছেন। সে কারণে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

 

Loading