করোনা ভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগের মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!পরে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদনটি ফেরত নেন। এর আগে দুই দফা হাইকোর্টে জামিন চেয়েছিলেন সাবরিনা। দুই দফাতেই খারিজ হয়ে যায়।
সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন সাবরিনা। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেবেন না বলে জানান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সাবরিনার মামলায় ১১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেছে। এ অবস্থায় আসামিকে জামিন দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।
গত ২০ আগস্ট একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। গত ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। এই মামলার অভিযোগপত্রে সাবরিনা ও আরিফুলকে জালিয়াতি ও প্রতারণার মূলহোতা ও বাকি ছয় জনকে অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বিচারিক আদালতে মামলটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের মোট ৪৩ সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যের জন্য আগামী ৬ জানুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে। সাবরিনা-আরিফুল ছাড়াও এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।
করোনার ভুয়া রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে জেকেজি’র।
![]()