২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:২৯
শিরোনাম:

র‌্যাবের কাছে ৯ জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছেন, ডি-রেডিক্যালাইজশেন প্রক্রিয়ার আওতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তারা

র‌্যাবের নতুন উদ্যোগ ডি-রেডিক্যালাইজশেন প্রক্রিয়ার আওতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তারা। র‌্যাব বলছে, বিশ্বের অন্য দেশের মতো জঙ্গিদের সঠিক প্রক্রিয়ায় ডি-রেডিক্যালাইজেশন করে জঙ্গিবাদ থেকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন তারা। দীর্ঘ সময় কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের উগ্র আদর্শকে ধ্বংস করা হয়েছে। এমন ৯ জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছেন। এদের মধ্যে প্রকৌশলী-চিকিৎসক স্বামী-স্ত্রীসহ আছে নব্য ও পুরাতন জেএমবির সদস্যরা রয়েছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মূলত সরকারের পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় র‌্যাব তাদের কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে এখানে সফলতা পাওয়ার পর এটি স্থায়ী রূপ দিতে কাজ করছে র‌্যাব। সমাজে পুনর্বাসিত করার জন্য তাদের ডি-রেডিক্যালাইজেশন করবে। আর তার জন্য র‌্যাব সদস্য, শিক্ষক, আরেমদের নিয়ে একটা টিমও গঠন করেছে এই এলিট ফোর্স। তাই ‘নব দিগন্তে প্রত্যাবর্তন’ এই শ্লোগান গানের মধ্যে দিয়ে র‌্যাব সদর দপ্তরের আজাদ মেমোরিয়াল হলে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

র‌্যাব বলছে, উগ্রবাদের সঙ্গে জড়িত প্রথম তিন ধাপের ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়েছেন তারা। যখন কেউ জঙ্গি বা উগ্রবাদী হয়, তখন সে প্রথম দিনেই জঙ্গি হয়ে যায় না। ৫ ধাপ শেষ করে একজন ব্যক্তি পূর্ণ জঙ্গিতে পরিণত হয়। প্রথম ধাপে তারা ওই জঙ্গি সংগঠনের প্রতি সহমর্মিতা দেখায়। দ্বিতীয় ধাপে সে হয়ে যায় ওই সংগঠনের সমর্থক। তারপর সে হয় অ্যাক্টিভিস্ট। এ পর‌্যায়ে সে বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশ নেয়। চাঁদা আদায় করে, দাওয়াত দেয়। তারপর সে হয় এক্সট্রিমিস্ট। নিজের ভেতর উগ্রবাদ ধারণ করে। শেষ পর‌্যায়ে গিয়ে সে পরিবার-জগত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। সে অস্বাভাবিক একটা জীবন যাপন শুরু করে। বায়াত গ্রহণ করে। আর যখন বায়াত গ্রহণ করে তারপর তারা জঙ্গিবাদে লিপ্ত হয়ে যায়।

 

অনুষ্ঠানে অংশ নেন একাডেমিশিয়ান, ইসলামি স্কলার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিশিষ্ট নাগরিকেরা। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Loading