২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:০৯
শিরোনাম:

টেকনিশিয়ানের ভুলে জরিমানার মুখে কসাই

বরগুনার তালতলী বাজারে একটি গাভী বিক্রি করার জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে জবাইয়ের পরে পেটে বাচ্চা পাওয়ায় মোবাইল কোর্টে জরিমানা দিতে হয়েছে কসাইকে। এ ঘটনা নিয়ে নিউজ না করে এই প্রতিবেদককে তার সাথে দেখা করতে বলেন গাভীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাকারী এ আই টেকনিশিয়ান মো. মাহবুবুর রহমান।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বাজারের প্রতিটি গাভী জবাই করার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা। গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে পেটে কোনো ধরনের বাচ্চা বা অন্য কোনো সমস্যা নেই বলে লিখিত টোকেন দেওয়া হয়। সেই নিয়মেই তালতলী বাজারের মাংস বিক্রেতা কসাই জালাল একটি গাভী পরীক্ষা করেন প্রাণী সম্পদের এ আই টেকনিশিয়ান মো. মাহবুবুর রহমান। গাভীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শারীরিক কোনো ধরনের সমস্যা ও পেটে বাচ্চা নেই বলে লিখে টোকেন দেন তিনি। এরপরে কসাই জালাল সেই গাভী জবাই করেন, এ সময় গাভীটির গর্ভে বাচ্চা দেখা যায়। বাচ্চাটির আনুমানিক বয়স দুই মাস হবে। পরে উপজেলা স্যানিটারি অফিসারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলে মাংস জব্দ করে মোবাইল কোর্টে সোপর্দ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মাছবাজার সংলগ্নে জেডিঘাটে এ ঘটনা ঘটে। এ আই টেকনিশিয়ান মো. মাহবুবুর রহমানের ভুলের কারণে কসাই জালালকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ আই টেকনিশিয়ান মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, দিনে অনেক গরু পরীক্ষা করতে হয়। এজন্য এগুলো বোঝা যায় না। তাই আমার ভুল হয়েছে। আপনারা নিউজ করবেন না, আমার সাথে দেখা করেন।

কসাই জালাল বলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদের এ আই টেকনিশিয়ান মো. মাহবুবুর রহমানের ভুলের কারণে আমাকে জরিমানা করা হয়েছে। তাদের ভুলের কারণে আমি কেন খেসারত দেবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ৪৪ ও ৪৫ ধারায় কসাই জালালকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। এবং মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Loading