৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৩৭
শিরোনাম:

নওগাঁর বদলগাছীতে প্রচণ্ড ঠান্ডায় ইরি-বোর ধান রোপণ নিয়ে ব্যস্থ সময় পার করছে উপজেলার কৃষকরা।

মোঃ ফারুক হোসেন বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ-

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কর্মক্ষেত্রে সাধারণ চাকরিজীবীদের ছুটি থাকলেও কৃষকদের কোনো ছুটি নেই, একটার পর একটা কৃষিকাজ লেগেই থাকে। আর সেই কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের। ন্যায্য দাম না পেয়েও বোরো ধান লাগানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বদলগাছীর চাষিরা।

উত্তরের হিমেল হাওয়া, হাড় কাঁপানো শীত, ঘন কুয়াশা এবং সকালের তীব্র শীত উপেক্ষা করেই বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউবা জমিতে হাল চাষ দিচ্ছেন।

সরেজমিনে গতকাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মাঠ জুড়ে চলছে ইরি-বোরো ধান রোপানের প্রতিযোগিতা। শতব্যাস্ত দেখেও কয়েকজন চাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে জমিতে পানি সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজতলা থেকে চারা উঠানো, ও প্রস্তুতকৃত জমিতে চারা রোপণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে এলাকার কৃষকরা।

চলতি মৌসুমে এই উপজেলার ১০ হাজার ৯ শত ৯০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর এই উপজেলায় ১১ হাজার ৩ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর অর্জিত হয়েছিলো ১১ হাজার ৪ শত ৫০ হেক্টর।

বদলগাছী গ্রামের রোপা আমন ধান চাষী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবছর আমি দুই বিঘা জমিতে ধানের চাষ করেছি যাতে পানি সেচ, জমি চাষ, বীজ, সারবাবদ প্রথম অবস্থায় খরচ হয়েছে ১১ হাজার টাকা। এছাড়া পানি সেচ, নিড়ানী, কিটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ আরও প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে জানান তিনি। বোরো ধান জমিতে লাগানোর পর থেকে তিন-চার দিন পরপর সেচ দিতে হয়। আশা রাখি বোরো আবাদ ভালো হলে আমরা বেশি লাভবান হবো।

উচ্চ ফলনশীল জাতের আগাম ইরি-বোরে জাত লাভজনক হওয়ায় উপজেলায় দিন দিন চাষাবাদ বাড়ছে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তা। বিজ্ঞানের যুগেও অনেক কৃষক প্রয়োজনের তাগিদে গরু ও মহিষের নাঙ্গল ব্যবহার করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সবসময় কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করছে। যাতে করে ফসলের রোগ বালাই সম্পর্কে সচেতন ও পরামর্শ দিতে পারে।

Loading