৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৩৩
শিরোনাম:

জাতীয় পার্টি নেতাকে হত্যার পর খামারবাড়িতে মাটিচাপা দেয়, খামারের রোহিঙ্গা কর্মচারী

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ার হোসেনের (৪২) গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন। নিখোঁজের এক মাস পর শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) রাত দেড়টায় তার গলিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। লোহাগাড়ার দরবেশহাট সওদাগরপাড়া নিজ বাড়িসংলগ্ন খামারবাড়িতে তাকে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দিয়েছিল খামারের রোহিঙ্গা কর্মচারী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জানা গেছে, খামার বাড়িতে গরু দেখভাল করত দুই রোহিঙ্গা যুবক। নিখোঁজের কিছুদিন আগে রোহিঙ্গা কর্মচারীদের সঙ্গে আনোয়ারের ঝগড়া হয়। হয়তো সে ক্ষোভ থেকে আনোয়ারকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।

এ ঘটনায় এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্যমতে খামার বাড়ির পেছন থেকে মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধার করেছে বলে জানান লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. রাশেদ। আনোয়ার লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের মৃত আহমদ সওদাগরের ছেলে। পেশায় তিনি গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার গরুর খামার রয়েছে।

পুলিশ জানায়, জাকারিয়া রহমান হত্যাকাণ্ডে দুই রোহিঙ্গা যুবকে আমরা চিহ্নিত করেছি। ইতোমধ্যে টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একজনকে আটকের পর সে জিজ্ঞাসাবাদে আনোয়ারকে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং তার দেখানো মতে শুক্রবার মধ্যরাতে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবার থেকে তখন বলা হয়েছিল আনোয়ারকে কেউ তাকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে এবং নিখেঁজের কয়েক দিনের মাথায় অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে ১০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করেছিল। পরে পুলিশ তদন্ত করে বুঝতে পারে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্রেফ প্রতারণা।

এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেনের ছোট ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

Loading