২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৯
শিরোনাম:

ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে ঝুকিপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ

মাসুদুর রহমান : সরকার সারা দেশে অবৈধ নদী দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সুবর্ণখালী নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সরকারী রাস্তার কাজে ব্যবহার করে ঝুকিপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে । ফলে নদী তীরবর্তী ঘরবাড়ি , ২টি ব্রীজ, বাঁধ, হাসপাতালসহ কয়েকটি সরকারী প্রতিষ্ঠান, সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি প্রধান সড়ক ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।গত ১ ফেব্রুয়ারী আরামনগর বাজার ট্রাক সমিতি – কয়ড়া মাদারগঞ্জ যোগাযোগের চর ধানাটা ব্রীজের নিচে সকালে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দিন ব্যাপী বালু উত্তোলন করলে স্থানীয় এলাকাবাসী বিকেলে ড্রেজার বন্ধ করে দেয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এদিকে অসাধু অর্থলোভী কয়েকজনের সহযোতিায় ৩ ফেব্রুয়ারী(বুধবার) সরিষাবাড়ী ডাক বাংলার পিছনে নদীরপাড়ে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মাঝে নানা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে । স্থানীয় ও সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, জামালপুর জেলার ৮ টি পৌরসভার ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তিন প্যাকেজে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চর ধানাটা ব্রীজ হতে চকহাটবাড়ী এ আর এ জুট মিলের পুরাতন কলোনী পর্যন্ত ১৪০০ মিটার প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।

প্রকল্পে মাটির নির্ধারিত প্রতি হাজারে ৯৭৪৭ টাকা অর্থ ধরা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ অল্প টাকা খরচ করে নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাড় থেকে বালু উত্তোলন করে ঝুকিপুর্ণ রাস্তা নির্মাণ করে যাচ্ছে । নদী থেকে বালু উত্তোলন সফল হলে মাটি বরাদ্দের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হদিস পাওয়া যাবে না। বালু উত্তোলনের ফলে ভবিষ্যতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল । ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন করার কারণে বর্ষা মৌসুমে বাড়ী-ঘর, রাস্তা, ব্রীজ ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে।

এদিকে মুঠোফোনে সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলীকে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি। সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন বলেন, আমি বিষয়টি দেখতেছি ।
জেলা প্রশাসক এনামুল হক জানান, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। আমি এখনি ইউএনওকে নির্দেশ দিচ্ছি।

Loading