৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৪০
শিরোনাম:

শরণখোলায় বড় ভাইকে জেলে পাঠাতে বউকে দিয়ে পালটা ধর্ষণ মামলার চেষ্ট

নইন আবু নাঈম,বাগেরহাট সংবাদদাতাঃ বাগেরহাটের শরণখোলায় বড় ভাইকে জেলে পাঠাতে বউকে দিয়ে পালটা ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করালো আপন ছোটো ভাই । এর আগে বড় ভাবির করা মামলায় বর্তমানে কারাবাস করছে দেবর । ওই মামলায় জামিন না পেয়ে বড় ভাইকে জেল খাঁটাতে কৌশল হিসেবে বউকে দিয়ে পাল্টা ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করালো ছোটো ভাই । খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ হাওলাদারের বড় ছেলে নেহারুল (৩৪) ও ছোটো ছেলে মিলন (৩১) এর মধ্যে বেশ কয়েকমাস ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক কলহ চলে আসছে ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ওই কলহের জের ও মিলনের অসামাজিক কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে গত ১৭ জানুয়ারী নেহারুলের স্ত্রী সুমনা আক্তার বাদী হয়ে মিলনের বিরুদ্ধে শরণখোলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । সেই মামলায় পুলিশ মিলনকে আটক করে আদালতে হাজির করালে আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে পাঠাতে নির্দেশ দেন। জামিন না পাওয়ায় মিলনের স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই নেহারুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন । ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ২ ফেব্রæয়ারী মিলনের স্ত্রী সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে (ভাসুর) নেহারুলের বিরুদ্ধে শরণখোলা থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন । মামলা সংক্রান্ত ঘটনার খোঁজ খবর নিতে রাজাপুর গ্রামে গিয়ে জানাযায় তাদের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক কলহ চলে আসছিলো ।

তাই, ভাই ভাইকে ফাঁসাতে এমন সাজানো মামলার আশ্রয় নেয় তারা । তবে, মিলনের নামে এর আগেও ধর্ষণের মামলা হয়েছে । যে মামলার বাদী বর্তমানে এলাকা ছাড়া । স্থানীয়রা জানান, একটি মামলার পালটা মামলা দিয়েছে ছোটো ভাই মিলনের স্ত্রী। যাতে একইভাবে বড় ভাইও জেলে যায় । তবে,তাদের এমন হিংসাত্মক মনোভাব দেখে আশপাশের মানুষও প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এমন খারাপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে ।

এঘটনায় বড় ভাই নেহারুলের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আসলে আমার স্ত্রী মিলনের বিরুদ্ধে আগে একটি মামলা করেছে। যে মামলায় মিলন এখন জেলে রয়েছে। মিলনের জামিন না হওয়ায় ওর স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে এমন নাটক বানিয়ে পালটা মামলা করেছে । এ ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো । শরণখোলা,বাগেরহাট

Loading