ভাবির প্রতি কুদৃষ্টি এবং তারপর উত্ত্যক্ত করতে গিয়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েসহ তিনজনকে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন জাহাঙ্গীর আলম পরান (৪২) নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জের সানারপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কাওরান বাজারে অবস্থিত র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!র্যাবের কর্মকর্তা বলেন, ৭/৮ বছর আগে রাজধানীর শনিরআখড়া এলাকায় একই রুমে থাকতেন রুহুল কুদ্দুস বাবু (৩৫) ও জাহাঙ্গীর আলম ওরফে পরান (৪২)। এ সময় পাশের ফ্লাটের থাকা মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের (৩৫) প্রতি তার কুদৃষ্টি পরে, এতে বাঁধা দেয় রুহুল কুদ্দুস বাবু। এ কারণে পরানকে ওই বাড়ি থেকে বেরও করে দেয় বাড়ির মালিক। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরান বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ইয়াসমিন আক্তার ও তার পরিবারকে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। এ সময় আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ায় রুহুল কুদ্দুস বাবু। এর জের ধরে পরান রবিবার সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতিসহ বাবুর বাসায় যায়।
পরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনির আখড়ায় একটি বাড়িতে ঢুকে রুহুল কুদ্দুস বাবু, মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার, তার মেয়ে মাহামুদা মেহেরিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পরান। এ সময় প্রতিবেশীরা গুরুতর জখম অবস্থায় তিনজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন রুহুল কুদ্দুস বাবুর বড় বোন বিউটি বেগম।
পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি-না জানতে চাইলে ডিআইজি মাহফুজুর রহমান বলেন, পরকীয়ার কারণে ঘটনা ঘটেছে এমন কোনো তথ্য আমরা পায়নি।
![]()