ভোলা পৌরসভা এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেন জুম্মান ও শওকাত হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলার পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় একটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরেরও ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ তুলেছেন। আহতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মহসিন, খলিল, ইকবাল, কামরুল, রুবেল ও ফারুকের নাম পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেন জুম্মানের সমর্থকরা সকালের দিকে পুলিশ লাইন সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে গণসংযোগ করছিলেন। এসময় অপর প্রার্থী শওকাত গ্রুপের সমর্থকদের সাথে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও বিক্ষুদ্ধ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনার পর থেকে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেন জুম্মান অভিযোগ করেন, ‘আমার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে কাউন্সিলর প্রার্থী শওকত হেসেনের কর্মীরা। এতে আমাদের ৩০-৪০ জন সমর্থক আহত হয়েছে।’
অপর কাউন্সিলর প্রার্থী শওকত হোসেন পাল্টা অভিযোগে করেন, ‘আমার কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে আসাদ হোসেন জুম্মান গ্রুপের লোকজন। এতে আমার কর্মী-সমর্থকরা আহত হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’
![]()