২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:০৪
শিরোনাম:

দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশ ভাগের আগে পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরা যখন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য পায়তারা করছিলেন, তখনই বঙ্গবন্ধু বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার কথা বলেছেন। ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসে প্রথম কার্জন হলে বৈঠক করেছিলেন, সেখানে নানা ধরনের যে প্রতিবাদ হয়েছিল, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পেছনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ছিল অনেক।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভাষা আন্দোলন সংগঠিত করার অপরাধে শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৪৯ সালে গ্রেফতার করা হয়। একটানা বায়ান্ন সাল পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে বসে তিনি ভাষা আন্দোলনে দকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জেলখানায় অনশন করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করা ১৯৫৬ সালে শুরু হয়। শহীদ মিনার সরকারিভাবে নির্মাণ করা এবং সেটি পৃষ্ঠপোষকতা করা এটিও ৫৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করার পর শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং এখন যে সিক্রেট ডকুমেন্টসগুলো বের হচ্ছে তা পড়লেই বুঝতে পারবেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা ভাবছিলেন।

তিনি বলেন, মাতৃভাষার বিষয়ে ইউনেস্কো জানিয়েছিল কোনও ব্যক্তি আবেদন করলে সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ জন্য রাষ্ট্রকে আবেদন করতে হবে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানলেন তখন হাতে মাত্র দুই দিন সময়। কিন্তু শেখ হাসিনা শুধু প্রস্তাব পাঠাননি, লবিংও করেছেন। শিক্ষামন্ত্রীকে প্যারিসে পাঠিয়েছেন। সেখানে ভোটাভোটির মাধ্যমে প্রস্তাব গৃহীত হয়। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আর শহীদ মিনার সারা পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার সিম্বল হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

Loading