২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৬
শিরোনাম:

শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া দুইজনই মুক্তিযোদ্ধা : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ ট্রাস্টি বলেন, ‘আমার মনে যে প্রশ্নটা আসে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী মুক্তিযোদ্ধা? ঠিক একইভাবে আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কি মুক্তিযোদ্ধা? আমি মনে করি তারা দুই জনই মুক্তিযোদ্ধা।’

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গোপনে ঢাকায় এসে মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি পরে কলকাতায় প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন সাহেবকে প্রশ্ন করেছিলাম- আমার মায়ের স্ট্যাটাস কী? উনি বলেছিলেন, অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা।’

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি। উনি তখন গর্ভবতী। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর রেশন খেয়েছেন এবং ধানমন্ডিতে সম্ভবত ২২ কি ৯ নং বাড়ি, সিএসপি একেএম আহসান সাহেবের বাড়িতে প্রায় ৮ মাস কাটিয়েছেন। কিন্তু উনার (শেখ হাসিনা) দুই ভাই (শেখ কামাল ও শেখ জামাল) সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।’

ঠিক একই ভাবে খালেদা জিয়ার স্বামী একটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বহমান শক্তিমান সামরিক সজ্জিত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছেন। ‘৭১’র তারেক জিয়াকে নিয়ে একের পর এক বাড়ি ঘুরে বেড়িয়েছেন খালেদা জিয়া। আত্মগোপন করেছেন আবদুল্লাহ সাহেবের বাসায়। তারা তাকে লুকিয়ে রাখেন। এক সময়ে অনেক কষ্ট করে খালেদা জিয়া ঢাকায় এসে মৌচাকের কাছে একটি বাড়িতে ছিলেন। পরে ধরা পড়ে যান। তাকে কেন্টনমেন্ট আটকিয়ে রাখা হয়। উনি পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। ঠিক যেভাবে শেখ মুজিবুবর রহমানও ছিলেন পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি।

তিনি আরো বলেন, ‘জিয়াউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম একটা প্রমাণিত সত্য। এই উপাধি তো পাকিস্তান দেয় নাই, শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছেন। উনি তো কোনো দিন প্রশ্ন করেন নাই- জিয়া বেটা তোরে কে কইছে আমার নামে ঘোষণা দিতে। বরংঞ্চ তাকে প্রমোশন দিয়েছেন।’

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আজকে আপনারা কাকে এই প্রশ্ন উঠাচ্ছেন। এই প্রশ্ন উঠিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে অপমান করছেন, বঙ্গবন্ধুকে অপমান করছেন, তাকে ছোট করছেন। ওই যে বললাম, মৌচাকে যদি ঢিল মারেন আজকে প্রশ্ন উঠতে পারে সিরাজ সিকদারের বিচার নিয়ে। এই বোকামী করা এটা পাগলামীর নামান্তর।’

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নতুন গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দি ইউনিভার্সেল একাডেমি।

Loading