৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৭
শিরোনাম:

২১শে আগস্ট মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়েছিল ইকবাল

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন হরকাতুল জিহাদের সদস্য ইকবাল হোসেন জাহাঙ্গীর ওরফে সেলিম। গ্রেনেড হামলার দীর্ঘ ১৭ বছর পর সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রেনেড হামলার পর আত্মগোপনে যান ইকবাল। মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড হয় তার। আত্মগোপনে থাকাকালীন ইকবাল নিরাপত্তাকর্মী, শ্রমিক, রিকশা মেকানিকের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। র‌্যাব ও জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার অব্যাহত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যে ২০০৮ সালে দেশ ত্যাগ করেন। প্রথমে ‘সেলিম’ এবং পরবর্তীতে ‘জাহাঙ্গীর’ নাম ধারণ করেন ইকবাল। মালয়েশিয়ায় গিয়ে প্রবাসে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর ২০২০ সালের শেষের দিকে অন্যদের মতো তাকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় দণ্ডিত ৩৩ আসামি কারাগারে থাকলেও পলাতক ছিলেন ১৬ জন। ইকবাল গ্রেপ্তার হওয়ায় এখন পলাতক রইলেন ১৫ জন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মামলায় নানা প্রতিকূলতা পেরুনোর পর ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় দেয় বিচারিক আদালত।

ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয় আরও ১১ জনের।

Loading