৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:৪৪
শিরোনাম:

ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ, লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টা

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে এক কলেজ ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মহসীনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় মাতাব্বরা শালিসীর মাধ্যেমে ঘটনাটি মীমাংসার কথা বলে তিনশত টাকার স্ট্যাম্পে সই রেখে ভুক্তভোগীর ইজ্জতের মূল্য ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গেলে ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মিঠু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, গত এক বছর থেকে ওই ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিয়ের প্রলোভনে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ওই কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে কুমিল্লার বড়ুরায় মহসীনের ভাড়া বাসায় নিয়ে ৪ দিন রাত্রিযাপন করে। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী বিয়ের কথা বললে মহসিন গোপনে পালিয়ে যায়।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হলে উল্টো মহসিনের পিতা আবদুল কাদের মেয়ের পরিবারের বিরুদ্ধে ১৭ ফেব্রুয়ারি রামগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘটনাটি মীমাংসার জন্য ছাত্রীর কাছ থেকে তিনশত টাকার স্ট্যাম্পে সই নিয়ে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা রাশেদ খলিফার নেতৃত্বে আলী মেম্বার, হুমায়ুন তরফদার, দেলোয়ারসহ গ্রাম্য শালিসে ওই কলেজ ছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মহসিন এর পিতা আবদুল কাদের বলেন, এটা আমাদের পারিবারিক বিষয়। আমরা বাড়ির লোকজন ওই ছাত্রীর ভবিষ্যতে বিয়ের বিষয়ে যাবতীয় খরচপাতি বহন করার মর্মে শালিশির মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে।

শালিসী সিন্ডিকেটের রাশেদ খলিফা বলেন, ‍ভুক্তভোগীর পিতার সাথে অভিযুক্ত মহসীনের পরিবারের সাথে টাকা লেনদেনের বিষয়ে বিরোধ রয়েছে। আমরা শালিসে বসে তা সমাধান করে দিয়েছি।

রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ঘটনাটি যেহেতু কুমিল্লার বড়ুরায় হয়েছে মেয়েটি সেখানে গিয়ে মামলা করলে ভালো হয়।

 

Loading