২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৪২
শিরোনাম:

‘ডিজিটাল প্লাটফর্মে যাতে কেউ কাউকে উত্ত্যক্ত করতে না পারে : তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে দাবি করেছেন । তিনি আরো বলেন, ‘ডিজিটাল প্লাটফর্মে যাতে কেউ কাউকে উত্ত্যক্ত করতে না পারে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে গুজব ছড়িয়ে কেউ যাতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সাংবাদিকের যাতে চরিত্র হনন না হয়, নারী পুরুষ কারও যাতে চরিত্র হনন না করতে পারে, সেজন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। কিন্তু প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিবাদ করেন, বলেন যে এই আইন বাতিল করতে হবে। গুজব রটানোর অবাধ অধিকার পেতে তারা এই দাবি করছেন। বাংলা ট্রিবিউন

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ‘কে ফোর্স’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো আইন করা হয়েছে। সেখানে আইন নিয়ে কথা হয় না। বিদেশি মিডিয়া ভাড়া করে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল সাহেব কথা বলেন। আসলে ওনাদের মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে। দেশের এত উন্নয়ন, আজকে দেশ স্বল্পোন্নত অবস্থা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এতে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।’

ড. হাছান মাহমুদ অভিযোগ করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। উনি ইসরাইলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলেছেন। বিএনপির হচ্ছে ইসরাইল প্রীতি। কারণ ৯১ থেকে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলিরা নির্বিচারে গুলি করলো, শত শত ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা হলো, তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শোক প্রস্তাব আনার জন্য সংসদে পেশ করা হয়েছিল। খালেদা জিয়ার সরকার রাজি হয়নি। সুতরাং ইসরাইল প্রীতি হচ্ছে বিএনপির।

তিনি দাবি করেন, সরকার কোনও যন্ত্রপাতি ইসরাইলের কাছ থেকে কিনেনি। বিদেশি মিডিয়া ভাড়া করে ভুয়া রিপোর্ট করা হয়েছে। ডিজিটাল দুনিয়ায় গুজব রটানোর বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের অনুরোধ জানাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বসময় সোচ্চার থাকুন। একইসঙ্গে সরকারের রাষ্ট্রের যে অর্জন সেগুলো ফলাও করে প্রচার করুন। কারণ একটি পত্রিকায় সংবাদ হলে সেটি সবাই পড়ে না, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষ প্রতিদিনই মানুষ ব্যবহার করে। সুতরাং সেখানে প্রচার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ অপপ্রচার করলে তার বিরুদ্ধে আরেকটি পোস্ট দেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

Loading