৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৪৯
শিরোনাম:

ফেসবুকে মামুনুল হককে কটাক্ষ, অনুসারীদের তাণ্ডবে গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে হিন্দুরা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে কটাক্ষ করে পোস্ট দেয় ঝুমন দাস আপন (২৩) নামের এক যুবক। সেই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় হিন্দুদের বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বুধবার সকালে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হেফাজত নেতার কয়েক হাজার অনুসারী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।

জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ দিরাইয়ে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে আসেন মামনুল হকসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। তিনি সমাবেশে নানা কথাবার্তা বলে যান। এ ঘটনায় গতকাল ক্ষুব্ধ হয়ে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের ঝুমন দাস আপন নামের এক যুবক ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি মামুনুল হকের সমালোচনা করেন। এ ঘটনাকে ধর্মীয় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ এনে ওই এলাকার হেফাজত নেতার অনুসারীরা রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাতেই ঝুমন দাস আপন নামের ওই যুবককে আটক করে।

পোস্টটি দেখে আজ সকালে কাশিপুর, নাচনী, চন্ডিপুরসহ কয়েকটি মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামের হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কয়েক হাজার অনুসারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নোয়াগাও গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায়। হাজারো মানুষের আক্রমণে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। এই সুযোগে হেফাজত নেতার অনুসারীরা গ্রামে প্রবেশ করে তছনছ করে। লুটপাট করে বিভিন্ন বাড়িতে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। গ্রামটির বাসিন্দা সজল চন্দ্র দাস বলেন, আমার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। ঘরের সব কিছু লুটপাট করা হয়েছে। আমরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে এসেছি প্রাণ বাঁচাতে।

শাল্লা থানার ওসি নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

Loading