২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০২
শিরোনাম:

জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা মূর্খতার শামিল: এলজিআরডি মন্ত্রী

জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলা চরম মূর্খতার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার ( ২৫ মার্চ) রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবনে নবনির্মিত মুজিব কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মন্ত্রীর মতে, ‘বঙ্গবন্ধু ছাড়া স্বাধীনতার ঘোষক অন্য কেউ হতে পারে না, হওয়ার কোন সুযোগ নেই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক হওয়ার জন্য জনগণ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি দেশকে স্বাধীন করে বিশ্বে মানচিত্রে সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।’

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, রেডিও-টেলিভিশনে ঘোষণা দিলেই ঘোষক হওয়া যায় না। জিয়াউর রহমানকে যারা ঘোষক বলতে চান তাদের মূর্খতার একটি মাত্রা থাকা উচিত। এরকম কথা বার্তা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

মোঃ তাজুল ইসলাম মনে করেন, ২৭ তারিখে রেডিওতে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন। তিনি যদি ঘোষক হতেন তাহলে ২৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হতো। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার উদ্দেশ্যেই স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী দোসররা জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে উল্লেখ করে।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার এবং ডাক্তারসহ সবাইকেই নিয়েই দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। এটাই বঙ্গবন্ধুর দর্শন। বঙ্গবন্ধুকে, বঙ্গবন্ধু আদর্শ ও চেতনা এবং দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মাঝে বেঁচে রাখতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

 

Loading