২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:২০
শিরোনাম:

বগুড়ায় আধিপত্য বিস্তার আর ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বগুড়ায় ১২ নেতাকর্মী খুন!

বগুড়ায় আধিপত্য বিস্তার আর ক্ষমতার দ্বন্দ্বে একের পর এক খুন হচ্ছে। গত এক বছরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে এমন হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা কমপক্ষে ১২টি। স্বজনহারা পরিবারগুলোর মধ্যে চাপা কান্না বিরাজ করছে। সঠিক বিচার পাওয়া নিয়েও তাদের মধ্যে রয়েছে শঙ্কা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বগুড়ায় গত ১৬ মার্চ সর্বশেষ ছুরিকাঘাতে খুন হয় জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তাকবির ইসলাম খান। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ করা ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা এখন নির্বাক, অসুস্থ। একই দলের নেতার দ্বারা খুন হওয়ায় বিচার নিয়েও শঙ্কিত নিহতের বাবা-মার।

২২ ফেব্রুয়ারি শহরের ফুলতলায় খুন হয় যুবলীগ কর্মী আল ফোরকান। গত বছরের ১৪ জুন ছুরিকাঘাতে সাবগ্রাম বন্দর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব ও একদিন আগে খুন হয় শাকিল নামের আরেক যুবলীগ কর্মী। ৫ জুন চাপাতির কোপে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ মিস্টার, ২৬ মে ছাত্রাবাসে শহর যুবলীগের ওয়ার্ড সেক্রেটারি ফিরোজ শেখ খুন হয়। এসব হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি নিহতের স্বজনদের।

হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে প্রেস-রিলিজ নির্ভর নেতা নির্বাচন, আধিপত্য বিস্তার, পদ পদবির আশাকে দুষছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলু।

পুলিশ সুপার বগুড়া আলী আশরাফ ভুঁইয়া বলছেন, দলীয় বিবেচনায় না নিয়ে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই গুরুত্বসহকারে তদন্ত হচ্ছে।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী বগুড়ায় গত এক বছরে ৪৭টি হত্যাকাণ্ডসহ ২৩০টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

 

Loading